Portal Logo
বুধবার
২৬ আগস্ট, ২০২৬

বাবুল রানা-এক বছর পরও মনে পড়ে, স্মৃতিতে অমর চিরকাল

বাবুল রানা-এক বছর পরও মনে পড়ে, স্মৃতিতে অমর চিরকাল

আঃ হামিদঃ আজ ২৬ আগস্ট। দেখতে দেখতে প্রিয় সহকর্মী ও সাবেক মধুপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও মধুপুর বার্তা২৪ এর সহযোগী সম্পাদক বাবুল রানা আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ার এক বছর পূর্ণ হলো। একটি বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁর চলে যাওয়ার শূন্যতা আজও যেন আগের মতোই অনুভূত হয়। সময়ের সঙ্গে দিন বদলেছে, কিন্তু প্রিয় মানুষটিকে হারানোর কষ্ট ও স্মৃতিগুলো আজও অমলিন। ২০২৫ সালের ২৬ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ট্রোকজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাবুল রানা। তাঁর মৃত্যুতে স্বজন, সহকর্মী, সাংবাদিক সমাজ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। সেদিন অশ্রুসজল চোখে হাসপাতাল থেকেই লিখেছিলাম—‘বাবুল রানা আর আমাদের মাঝে নেই।’ কয়েকটি শব্দ লিখতে গিয়েই বুকের ভেতর যে হাহাকার তৈরি হয়েছিল, তা আজও ভুলতে পারিনি। প্রিয় একজন মানুষকে হারানোর সেই বেদনা সময়ের সঙ্গে মুছে যায়নি; বরং তাঁর স্মৃতিগুলো আরও গভীরভাবে হৃদয়ে গেঁথে গেছে।রাতে মরহুম বাবুল রানার মরদেহ নিয়ে যখন তাঁর নিজ বাড়ি মধুপুরের কুড়ালিয়া বাগবাড়ীতে পৌঁছাই, তখন তাঁকে একনজর দেখতে ছুটে আসেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন, তৎকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল কবিরসহ মধুপুরের বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী। প্রিয় সহকর্মীর নিথর দেহ দেখে সেদিন সবার চোখে ছিল শোক আর বেদনার ছাপ। সময়ের স্রোতে একটি বছর চলে গেছে। কিন্তু কিছু মানুষের চলে যাওয়া কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। তাঁরা শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে না থাকলেও তাঁদের হাসি, কথা, আন্তরিকতা, ভালোবাসা ও অসংখ্য স্মৃতি বারবার মনে করিয়ে দেয়—মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালোবাসা ও স্মৃতি থেকে যায়।বাবুল রানার সঙ্গে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত আজও চোখের সামনে ভেসে ওঠে। সহকর্মীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, সবাইকে আপন করে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা এবং হৃদয়জুড়ে থাকা ভালোবাসা তাঁকে আমাদের কাছে আলাদা করে রেখেছে। তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতিগুলো কখনো পুরোনো হওয়ার নয়। একজন মানুষ পৃথিবী থেকে বিদায় নেন, কিন্তু তাঁর কর্ম, ভালোবাসা ও মানুষের হৃদয়ে রেখে যাওয়া স্মৃতি তাঁকে বাঁচিয়ে রাখে অনন্তকাল। বাবুল রানাও তেমনি আমাদের স্মৃতির পাতায় নয়, আমাদের হৃদয়ের গভীরে চিরদিন বেঁচে থাকবেন। আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে মহান আল্লাহর দরবারে কায়মনোবাক্যে দোয়া করি—আল্লাহ পাক মরহুম বাবুল রানাকে ক্ষমা করে দিন, তাঁর কবরকে নূরে ভরে দিন, কবরের আজাব মাফ করে দিন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ স্থান নসিব করুন। আমিন। আল্লাহ তাঁর পরিবার-পরিজন, স্বজন, সহকর্মী ও সকল শুভাকাঙ্ক্ষীকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দান করুন। বাবুল রানা, আপনি আজ আমাদের মাঝে নেই—কিন্তু আপনার স্মৃতি আছে, আপনার ভালোবাসা আছে, আপনার সঙ্গে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত আছে। আপনি থাকবেন আমাদের হৃদয়ে—আজ, আগামীকাল এবং চিরকাল।শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও অশ্রুসিক্ত স্মরণে—প্রিয় বাবুল রানা।

বাবুল রানা-এক বছর পরও মনে পড়ে, স্মৃতিতে অমর চিরকাল

বাবুল রানা-এক বছর পরও মনে পড়ে, স্মৃতিতে অমর চিরকাল

আঃ হামিদঃ আজ ২৬ আগস্ট। দেখতে দেখতে প্রিয় সহকর্মী ও সাবেক মধুপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও মধুপুর বার্তা২৪ এর সহযোগী সম্পাদক বাবুল রানা আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ার এক বছর পূর্ণ হলো। একটি বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁর চলে যাওয়ার শূন্যতা আজও যেন আগের মতোই অনুভূত হয়। সময়ের সঙ্গে দিন বদলেছে, কিন্তু প্রিয় মানুষটিকে হারানোর কষ্ট ও স্মৃতিগুলো আজও অমলিন। ২০২৫ সালের ২৬ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ট্রোকজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাবুল রানা। তাঁর মৃত্যুতে স্বজন, সহকর্মী, সাংবাদিক সমাজ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। সেদিন অশ্রুসজল চোখে হাসপাতাল থেকেই লিখেছিলাম—‘বাবুল রানা আর আমাদের মাঝে নেই।’ কয়েকটি শব্দ লিখতে গিয়েই বুকের ভেতর যে হাহাকার তৈরি হয়েছিল, তা আজও ভুলতে পারিনি। প্রিয় একজন মানুষকে হারানোর সেই বেদনা সময়ের সঙ্গে মুছে যায়নি; বরং তাঁর স্মৃতিগুলো আরও গভীরভাবে হৃদয়ে গেঁথে গেছে।রাতে মরহুম বাবুল রানার মরদেহ নিয়ে যখন তাঁর নিজ বাড়ি মধুপুরের কুড়ালিয়া বাগবাড়ীতে পৌঁছাই, তখন তাঁকে একনজর দেখতে ছুটে আসেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন, তৎকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল কবিরসহ মধুপুরের বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী। প্রিয় সহকর্মীর নিথর দেহ দেখে সেদিন সবার চোখে ছিল শোক আর বেদনার ছাপ। সময়ের স্রোতে একটি বছর চলে গেছে। কিন্তু কিছু মানুষের চলে যাওয়া কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। তাঁরা শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে না থাকলেও তাঁদের হাসি, কথা, আন্তরিকতা, ভালোবাসা ও অসংখ্য স্মৃতি বারবার মনে করিয়ে দেয়—মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালোবাসা ও স্মৃতি থেকে যায়।বাবুল রানার সঙ্গে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত আজও চোখের সামনে ভেসে ওঠে। সহকর্মীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, সবাইকে আপন করে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা এবং হৃদয়জুড়ে থাকা ভালোবাসা তাঁকে আমাদের কাছে আলাদা করে রেখেছে। তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতিগুলো কখনো পুরোনো হওয়ার নয়। একজন মানুষ পৃথিবী থেকে বিদায় নেন, কিন্তু তাঁর কর্ম, ভালোবাসা ও মানুষের হৃদয়ে রেখে যাওয়া স্মৃতি তাঁকে বাঁচিয়ে রাখে অনন্তকাল। বাবুল রানাও তেমনি আমাদের স্মৃতির পাতায় নয়, আমাদের হৃদয়ের গভীরে চিরদিন বেঁচে থাকবেন। আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে মহান আল্লাহর দরবারে কায়মনোবাক্যে দোয়া করি—আল্লাহ পাক মরহুম বাবুল রানাকে ক্ষমা করে দিন, তাঁর কবরকে নূরে ভরে দিন, কবরের আজাব মাফ করে দিন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ স্থান নসিব করুন। আমিন। আল্লাহ তাঁর পরিবার-পরিজন, স্বজন, সহকর্মী ও সকল শুভাকাঙ্ক্ষীকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দান করুন। বাবুল রানা, আপনি আজ আমাদের মাঝে নেই—কিন্তু আপনার স্মৃতি আছে, আপনার ভালোবাসা আছে, আপনার সঙ্গে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত আছে। আপনি থাকবেন আমাদের হৃদয়ে—আজ, আগামীকাল এবং চিরকাল।শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও অশ্রুসিক্ত স্মরণে—প্রিয় বাবুল রানা।

বাবুল রানা-এক বছর পরও মনে পড়ে, স্মৃতিতে অমর চিরকাল

মূল পৃষ্ঠায় যান